ইস্রায়েলের ছেলেরা হল রূবেণ, শিমিয়োন, লেবি, যিহূদা, ইষাখর, সবূলূন,
দান, যোষেফ, বিন্যামীন, নপ্তালি, গাদ ও আশের।
যিহূদার ছেলেরা হল এর, ওনন ও শেলা। তাঁর এই তিনজন ছেলে কনানীয় বৎ শূয়ার গর্ভে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন৷ যিহূদার বড় ছেলে সদাপ্রভুর দৃষ্টিতে খারাপ হওয়াতে তিনি তাকে মেরে ফেললেন।
যিহূদার ছেলের স্ত্রী তামরের গর্ভে যিহূদার ঔরসে পেরস ও সেরহ দুই ছেলের জন্ম হয়েছিল। যিহূদার মোট পাঁচটি ছেলে ছিল।
পেরসের ছেলেরা হল হিষ্রোণ ও হামূল।
সেরহের ছেলেরা হল সিম্রি, এথন, হেমন, কল্কোল ও দারা। এরা ছিল মোট পাঁচজন।
কর্মির ছেলে আখর বাদ দেওয়া জিনিসের বিষয়ে অবাধ্য হয়ে ইস্রায়েলের কাঁটাস্বরূপ হয়েছিল।
এথনের ছেলে অসরিয়।
হিষ্রোণের ছেলেরা হল যিরহমেল, রাম ও কালুবায়।
রামের ছেলে হল অম্মীনাদব ও অম্মীনাদবের ছেলে হল নহশোন; তিনি যিহূদা বংশের নেতা ছিলেন।
নহশোনের ছেলে সল্মোন ও সল্মোনের ছেলে বোয়স।
বোয়সের ছেলে ওবেদ আর ওবেদের ছেলে যিশয়।
যিশয়ের বড় ছেলে হল ইলীয়াব, দ্বিতীয় অবীনাদব, তৃতীয় শম্ম,
চতুর্থ নথনেল, পঞ্চম রদ্দয়,
ষষ্ঠ ওৎসম ও সপ্তম দায়ূদ।
আর তাদের বোনেরা হল সরূয়া ও অবীগল। অবীশয়, যোয়াব ও অসাহেল ছিলেন সরূয়ার তিনজন ছেলে।
অবীগলের ছেলে অমাসা আর ইশ্মায়েলীয় যেথর ছিলেন অমাসার বাবা।
হিষ্রোণের ছেলে কালেবের সঙ্গে অসূবার বিবাহ হয়েছিল এবং অসূবা ও যিরিয়োতের গর্ভে ছেলেমেয়ে হয়েছিল। যিরিয়োতের ছেলেরা হল যেশর, শোবব ও অর্দোন।
পরে অসূবা মারা গেলে কালেব ইফ্রাথাকে বিয়ে করলেন। ইফ্রাথার গর্ভে হূরের জন্ম হয়েছিল।
হূরের ছেলে ঊরি ও ঊরির ছেলে বৎসলেল।
পরে হিষ্রোণ ষাট বছর বয়সে মাখীরের মেয়ের কাছে গেল; সে তাকে বিয়ে করল, তাতে সেই স্ত্রী তার ঔরসে সগূবের জন্ম দিল।
সগূবের ছেলের যায়ীর, গিলিয়দ দেশে তাঁর তেইশটা গ্রাম ছিল।
আর গশূর ও অরাম তাদের থেকে যায়ীরের গ্রাম সব নিয়ে নিল এবং তার সঙ্গে কনাৎ ও তার উপনগর সব, অর্থাৎ ষাটটা গ্রাম অধিকার করে নিল। এরা সবাই গিলিয়দের বাবা মাখীরের বংশের লোক।
কালেব ইফ্রাথায় হিষ্রোণের মৃত্যুর পর হিষ্রোণের স্ত্রী অবিয়া তাঁর জন্য তকোয়ের বাবা অসহূরকে জন্ম দিল।
হিষ্রোণের বড় ছেলে যিরহমেলের ছেলেরা হল; বড় ছেলে রাম, তারপর বূনা, ওরণ, ওৎসম ও অহিয়।
অটারা নামে যিরহমেলের আর একজন স্ত্রী ছিল। সে ওনমের মা ছিল।
যিরহমেলের বড় ছেলে রামের ছেলেরা হল মাষ, যামীন ও একর।
ওনমের ছেলেরা হল শম্ময় ও যাদা। শম্ময়ের ছেলেরা হল নাদব ও অবীশূর।
অবীশূরের স্ত্রীর নাম ছিল অবীহয়িল। তার গর্ভে অহবান ও মোলীদের জন্ম হয়েছিল।
নাদবের ছেলেরা হল সেলদ ও অপ্পয়িম, কিন্তু সেলদ ছেলে ছাড়াই মারা গেল।
অপ্পয়িমের ছেলে যিশী, যিশীর ছেলে শেশন ও শেশনের ছেলে অহলয়।
শম্ময়ের ভাই যাদার ছেলেরা হল যেথর ও যোনাথন; যেথর ছেলে ছাড়াই মারা গেলেন।
যোনাথনের ছেলেরা হল পেলৎ ও সাসা। এরা ছিল যিরহমেলের বংশধর।
শেশনের শুধু মেয়ে ছিল, কোনো ছেলে ছিল না। যার্হা নামে শেশনের একজন মিশরীয় দাস ছিল।
শেশন তার দাস যার্হার সঙ্গে তার একজন মেয়ের বিয়ে দিল এবং সেই মেয়ের গর্ভে অত্তয়ের জন্ম হয়েছিল।
অত্তয়ের ছেলে নাথন, নাথনের ছেলে সাবদ,
সাবদের ছেলে ইফ্লল, ইফ্ললের ছেলে ওবেদ,
ওবেদের ছেলে যেহূ, যেহূর ছেলে অসরিয়,
অসরিয়ের ছেলে হেলস, হেলসের ছেলে ইলীয়াসা,
ইলীয়াসার ছেলে সিস্ময়, সিস্ময়ের ছেলে শল্লুম,
শল্লুমের ছেলে যিকমিয় আর যিকমিয়ের ছেলে ইলীশামা।
যিরহমেলের ভাই কালেবের ছেলেদের মধ্যে মেশা ছিল বড়। মেশার ছেলে সীফ, সীফের ছেলে মারেশা আর মারেশার ছেলে হিব্রোণ।
হিব্রোণের ছেলেরা হল কোরহ, তপূহ, রেকম ও শেমা।
শেমার ছেলে রহম, রহমের ছেলে যর্কিয়ম। রেকমের ছেলে শম্ময়,
শম্ময়ের ছেলে মায়োন আর মায়োনের ছেলে বৈৎ-সূর।
কালেবের উপপত্নী ঐফার গর্ভে হারণ, মোৎসা ও গাসেসের জন্ম হয়েছিল এবং হারণের ছেলে গাসেস।
যেহদয়ের ছেলেরা হল রেগম, যোথম, গেসন, পেলট, ঐফা ও শাফ।
কালেবের উপপত্নী মাখার গর্ভে শেবর, তির্হনঃ, শাফ ও শিবার জন্ম হয়েছিল।
আরও সে মদ্মন্নার বাবা শাফকে এবং মক্বেনার ও গিবিয়ার বাবা শিবার জন্ম দিল; আর কালেবের মেয়ের নাম ছিল অক্ষা। এরা ছিল কালেবের বংশধর।
ইফ্রাথার বড় ছেলে বিনহূর; শোবল কিরিয়ৎ যিয়ারীমের বাবা;
বৈৎলেহমের বাবা শল্ম, বৈৎ-গাদের বাবা হারেফ।
কিরিয়ৎ যিয়ারীমের বাবা শোবলের ছেলে হরোয়া, মনূহোতীয়দের অর্ধেক লোক।
আর কিরিয়ৎ যিয়ারীমের গোষ্ঠী; যিত্রীয়, পূথীয়, শূমাথীয় ও মিশ্রায়ীয়েরা, এদের থেকে সরাথীয় ও ইষ্টায়োলীয় বংশের সৃষ্টি হয়েছিল।
শল্মের বংশের লোকেরা হল বৈৎলেহম ও নটোফাতীয়েরা, অট্রোৎ বৈৎ-যোয়াব, মনহতীয়দের অর্ধেক লোক, সরায়ীয়।
আর যাবেষে বাসকারী লেখকেরা, তিরিয়াথীয়েরা, শিমিয়থীয়েরা ও সূখাথীয়েরা। এরা ছিল কীনীয় গোষ্ঠী, রেখবীয়দের বাবা হম্মতের বংশের লোক।
Share what's on your heart and our team will pray with you.
Want to be part of this community? Leave your details and we'll be in touch.
Every gift helps keep this ministry running and reaching more people.